অনলাইন শপিং ব্যবসা কি ভাবে শুরু করা যায়।

অনলাইন শপিং ব্যবসা কি ভাবে শুরু করা যায় ।

অনলাইন শপিং ব্যবসা কি ভাবে শুরু করা যায়।

বর্তমানে অনলাইন শপিং একটা সখের ব্যবসা বলতে পারেন বা অনেকের হচ্ছে যেকোনো কাজের পাশাপাশি অনলাইন শপিং ব্যবসায় একটা দৈনন্দিন ব্যবসায় পরিণত হয়েছে ।

বাংলাদেশের যে হারে অনলাইন শপিং ব্যবস্থা দিন দিন বাড়ছে বা ই- কমার্স বিজনেস বাড়ছে, সাধারণত আপনাদের অনলাইন শপিং ব্যবসা কিভাবে করবেন বা যারা অনলাইন ব্যবসা অলরেডি করছেন আজকের ব্লগ টি তে আপনাদের অনলাইন শপিং ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন এবং অনলাইন ব্যবসা যারা অলরেডি করছেন তারা কিভাবে এটিকে আরো ভালোভাবে চালাবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব ।

অনলাইন শপিং বা ই- কমার্স এই শব্দটার সাথে অনেকের সাথে পরিচিত আবার অনেকেই হয়তোবা শুনেছেন যারা অনলাইন শপিং চালাচ্ছেন তারা এবং যারা অলরেডি অনলাইন শপিং নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী তারা পুরো ব্লগ টা দেখবেন আপনাদের জন্য আজকে আমি দশটি টিপস নিয়ে আলোচনা করব এবং কিভাবে অনলাইন সপিং স্টার্ট করবেন step-by-step

সর্বপ্রথমে যেটি অনলাইন শপিং বিদেশি স্টার্ট করতে গেলে অবশ্যই আপনার অনলাইন শপিং এর নাম নির্ধারণ করতে হবে সাধারণ নাম বলতে আমরা যদি কোন অনলাইন শপিং এর নাম যেমন আমাদের যে অনলাইন শপিং আছে সেটি হচ্ছে অনলাইন বিডি shopping.com আপনি চাইলে দারাজ আজকেরডিল এরকম টাইপের যে কোন একটির নাম সিলেক্ট করতে হবে এবং আপনি আপনার যে নামটা সিলেক্ট করবেন অবশ্যই সেটি চাইবেন ১ বা ২ ওয়ার্ড এর মধ্যে অথবা 28 এর মধ্যে নামটি সিলেট করার জন্য এবং সেই নাম দিয়ে আপনি প্রথমে জি টি করবেন একটি ডোমেইন কিনে ফেলবেন এবং ডোমেইন কিনে খেলার পর এই পাশাপাশি আপনি আপনার কোম্পানি আছে সেটার জন্য কি ফেসবুক পেজ ক্রিয়েট করে ফেলবেন । প্রথমে জি টি করবেন ডোমেইন কিনে ফেলবেন ওই নামে এবং ডোমেইন খালি আছে কিনা সিওর হবে তারপরে হচ্ছে ডোমেইন কেনার জন্য আপনি namecheap.com সহায়তা নিতে পারেন namecheap.com থেকে আপনি সরাসরি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারেন ।

দুই নাম্বার যদি সেটি হচ্ছে আপনার ডোমেইন হোস্টিং কেনার পরে আপনি যদি করবেন আপনার একটু পথ সাইট বানাবেন ওয়েবসাইট যদি না থাকে তাহলে কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটের যে ব্যান্ড ভালো কোম্পানির ব্র্যান্ড ভ্যালু সেটি থাকবে না তাই অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট সুন্দর দেখে নেবেন যারা ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানে.

ওয়েবসাইট আপনি যে কারো কাছ থেকে নিতে পারবেন আপনি চাইলে আমার থেকে বানান দিতে পারবেন আমি আপনাদেরকে পনের থেকে বিশ হাজার টাকার মধ্যে ভাল মানের ওয়েবসাইট বানাবো এবং ওয়েবসাইট বানানোর পরে প্রোডাক্টগুলো আপলোড করবেন প্রোডাক্টগুলো সোর্সিং করবেন কোথাইয় থেকে প্রোডাক্ট গুলা সব সাইন করে সেগুলো আপনি বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রোডাক্ট সোর্সিং পাওয়া যায় যেমন হচ্ছে চকবাজারে গেলে অনেক প্রোডাক্ট পাবেন তারপরে হচ্ছে আপনি চাইলে বাইতুল মুকাররম মার্কেটে গিয়ে প্রোডাক্ট কালেকশন করতে পারবেন আপনি পল্টনে গিয়ে প্রোডাক্ট কালেকশন করতে পারবেন তাছাড়া আপনি মোতালেব প্লাজা এগিয়ে প্রডাক কালেকশন করতে পারবেন এটি ঢাকার মধ্যে ঢাকার বাইরে যারা আছেন তারা চাইলে আপনার যেই লোকাল এরিয়া আছে সেখানে মার্কেটে গিয়ে তাদের কাছে প্রোডাক্টগুলো সোর্সিং করবেন ।প্রোডাক্ট কিনে স্টক করবেন না শুধুমাত্র ইনফর্মেশন নিয়ে রাখবেন।এবং আপনার কাস্টমারের কাছে আসবে তখন আপনি প্রোডাক্ট ডেলিভারি করে দিবেন ।

প্রোডাক্ট ডেলিভারি র জন্য আপনার নিজের টিম হতে পারে অথবা আপনি চাইলে বাংলাদেশের অনেক ডেলিভারি কোম্পানি আছে যেমন ই-কুরিয়ার আছে এস্টেট ফাস্ট কোরিয়ার আছে ফোর স্টার ফাইভ স্টার পাঠাও ইতাদি ভালো ভালো সার্ভিস দিচ্ছে তাদের সাথে আপনি কাজ করতে পারেন ।এটি হচ্ছে আপনার .৩ নাম্বার অপশন ডেলিভারি সিস্টেম

৪ নাম্বার হচ্ছে যদি আপনার ফেসবুক পেজ বানাবেন এই পেজটিতে আপনি আপনার যে ফেসবুক বিজ্ঞাপন ।বিজ্ঞাপন এর জন্য আপনি পেজটাকে সুন্দর করে ডিজাইন করবেন এবং আপনাদের প্রোডাক্ট গুলা সোর্সিং করেছেন সেই প্রোডাক্ট গুলা সুন্দর করে ডিজাইন করে আপনার ফেসবুক পেজে আপনি বিজ্ঞাপন দিবেন এবং আপনার যেই নির্দিষ্ট টার্গেট অডিয়েন্স আছে তাদের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছালে আপনার কাছে অর্ডার অটোমেটিক আসবে । অডার আসার জন্য শুধু ফেসবুক বিজ্ঞাপন দিলে হবেনা । ফেসবুক বিজ্ঞাপন পাশাপাশি আপনার ওয়েবসাইটের এস ই ও র কাজ আপনি করবেন এবং গুগলের অ্যাড দিতে পারবেন ।ফেসবুক পেজের অ্যাড নিয়ে কাজ করছেন তারা শুধুমাত্র একটি প্রোডাক্ট নিয়ে বিজনেস করতে পারেন বা অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন।

যাদের অলরেডি ওয়েবসাইট আসে তাদের হচ্ছে শপিং মল এর মত যেমন আপনি শপিংমলে যখন শপিং করতে চান তখন দেখা যাচ্ছে আপনি একটি প্রোডাক্ট কিনতে কি আপনার একটি প্রোডাক্ট পছন্দ হলে আপনি প্রোডাক্ট টি কিনতে পারেন। ঠিক তেমন কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইট থাকলে একটি প্রোডাক্ট কিনতে এসেছে আরও একটা প্রোডাক্ট কেনা চান্স থাকে ।ফেসবুক পেইজের ক্ষেত্রে সুবিধাটা কাস্টমার পায় না ।তাই অবশ্য ওয়েব সাইট থাকলে আপনি এস ই ও র কাজ করতে পারেন যেটি কে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয় এবং গুগোল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট কাজ করতে পারেন এস ই ওর কাজ করলে কি হবে আপনার কোম্পানির একটা সময় যখন এস ই ওর কাজ ভালোভাবে হবে তখন আপনি একা একাই আপনার ওয়েবসাইটে অডার পাবেন সেক্ষেত্রে আপনার কোন বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ করা লাগবে না আপনার ওয়েবসাইটটি আজীবন থাকলে আপনার এখান থেকে সেল বাড়তে থাকবে তাছাড়া আপনি গুগল বিজ্ঞাপনের কাজ করতে পারেন গুগোল বিজ্ঞাপন সাধারণত আমরা ইউটিউবে যে অ্যাডগুলো দেখে বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলো দেখি এবং চাইলে আমরা অনেক সময় দিয়ে গুগলে সার্চ করে যে প্রথমদিকে এড গুলো দেখি সেগুলো হচ্ছে গুগলের এড। গুগলের মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার নির্দিষ্ট কাস্টমার আছে তাদের কাছে আপনি পৌঁছাইতে পারবেন খুব সহজেই এবং গুগোল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট সম্পর্কে আমার ওয়েবসাইট এর যাবতীয় ডিটেলস পাবেন আর যারা অলরেডি গুগোল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট কাজ করছেন তারা আরো ভালোভাবে গুগোল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট নিয়ে কাজ করলে মোটামুটি আরো বেশি পাবে হচ্ছে আপনাদের জন্য অলরেডি ছয়টা টিপস চলে আসছে আমি আসলে গোলমাল পাকায় ফেলছি আপনারা নোট করবেন ।

ফাইনালি সেটি হচ্ছে আপনার যারা কাস্টমার প্রডাক্ট ডেলিভারি করার পর অনেকেই খোঁজ নেন না কাস্টমারের ।এটি খুবই দুঃখজনক আপনি আপনার কাস্টমারের কাছে প্রডাক্ট দিবেন কোয়ালিটি প্রডাক্ট যে প্রোডাক্টটা দেখাচ্ছেন সেটাই দিবেন এবং প্রোডাক্ট ডেলিভারি করার পরে দেখবেন যে কাস্টমার টা ঠিক ভাবে পেয়েছে কিনা এবং সঠিক প্রোডাক্ট পেয়েছে কিনা ।এটি আপনি যাচাই করবেন তাহলে আপনার কাস্টমার পুনরায় আপনার কাছে আসবে এবং আপনি ঐ সকল কাস্টমারের ডাটা সংগ্রহ করে পুনরায় তাদেরকে টার্গেটিং এড করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমে এবং আপনার কাস্টমার গুলোকে ধরে রাখার চেষ্টা করবেন একটা পর্যায়ে যখন আপনি বিজ্ঞাপন দিবেন ফেসবুকে রেগুলার বিজ্ঞাপন দিবেন তখন আপনার কাস্টমার প্রতিদিন যদি আপনার দশটা প্রোডাক্ট অর্ডার আসে বা পাঁচটা অর্ডার আসে তাহলে আপনি প্রোডাক্টটি ২০০ টাকা ৩০০ টাকা করে লাভ রাখেন তাহলে আপনার পার ডে দেখা যাচ্ছে ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা পাঠাচ্ছে ,মাসিক আপনার দেখা যাচ্ছে প্রায় অলমোস্ট ৩০ হাজার থেকে 45 হাজার টাকার মতো হচ্ছে । এই হচ্ছে অনলাইন শপিং এর বিজনেস

যারা অলরেডি মার্কেটে কাজ করছেন তারা তো ভালো ,আর আপনারা যারা নতুন শুরু করতে যাচ্ছেন তারা মোটামুটি এ বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন আমি যেগুলো বললাম ।

ভালো থাকবেন !

ফ্রিল্যান্সিং কি || ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব

Leave a Comment